নদীগর্ভে বসতভিটা বিলীন, পুনর্বাসনের দাবিতে পাঁচ পরিবারের মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মাঝের চর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নদীগর্ভে বসতবাড়ি বিলীন হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া পাঁচ পরিবার পুনর্বাসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে।

পরিবারগুলোর দাবি, তাদের বসতভিটা নদীতে বিলীন হওয়ায় নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করতে তারা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৈয়ব খা মৌজায় ক্রয়কৃত জমি ভরাট করে বাড়িঘর নির্মাণ করতে চান।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো হলো মোকলেছুর রহমান খালেকমিয়া শরিফুল ইসলাম, মাইদুল ইসলাম ও রবিউল ইসলাম।

ভুক্তভোগীরা জানান, নদীভাঙনে নিজেদের বসতবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। নতুন করে বসতি গড়ার জন্য তারা তৈয়ব খা এলাকায় নিজেদের ক্রয়কৃত জায়গা ভরাটের উদ্যোগ নেন।

পরিবারগুলোর ভাষ্য, এর আগে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসাইন কায়কোবাদ ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে গেলে ওই এলাকার ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বিষয়টি তাকে অবগত করলে, তিনি তাদের সমস্যার কথা শুনে সম্মতি দেন, এবং স্থানীয় বিএনপির নেতাদের বিষয়টি দেখার জন্য বলেন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীদের

পরে জায়গা ভরাটের জন্য ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু তোলার উদ্যোগ নেওয়া হলে ভূমি কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় ড্রেজার মেশিনটি জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, তারা নদীভাঙনে বসতভিটা হারিয়েছেন। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হোক। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অনুমতি ও সরকারি বিধিবিধান মেনে তারা যাতে জায়গা ভরাট করে নতুন করে বাড়িঘর নির্মাণ করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা চান তারা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “আমাদের বাড়িঘর নদীতে চলে গেছে। আমরা কোথায় যাব? সরকার ও প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ, মানবিক দিক বিবেচনা করে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করা হোক।”