আয়নাঘর বের করতে ২ বছর লাগলো কেন? জবাবে যা বললেন তাজুল ইসলাম

‘আয়নাঘর বের করতে ২ বছর লাগলো কেন?’ এমন প্রশ্ন করেছেন অনেকেই। এই প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

২ আগস্ট ১টা ৪৭ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে জবাব দেন তিনি।

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘আয়নাঘর নিয়ে গতকালের রিপোর্টের পর কিছু লোক বলছে- এটা বের করতে ২ বছর লাগলো কেন? তারা কিছু না বুঝেই কথা বলছেন। বাস্তবে ২০২৪-এর ডিসেম্বরেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব‍্যুনালে এর তদন্ত সংস্থা ও গুম কমিশন মিলে এই আয়নাঘরগুলো বের করে ফেলে। প্রসঙ্গত উল্লেখ‍্য যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব‍্যুনালের প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা পুনর্গঠিত হয় ২০২৪-এর সেপ্টেম্বর মাসে। তদন্ত সংস্থা পুনর্গঠনের তিন থেকে চার মাসের মধ‍্যেই প্রধান আয়নাঘরগুলো খুঁজে বের করা সম্ভব হয়।’

তিনি লিখেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি টিএফআই, জেআইসি এবং আগারগাঁও র‍্যাব-২-এর অধীনস্ত সিপিসি-৩-এর গোপন বন্দিশালাসমূহ ভিজিট করেন। সেসময়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ নির্দেশে আন্তর্জাতিক গণমাধ‍্যম আল জাজিরা ও নেত্র নিউজের সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারদের সাথে নেওয়া হয়েছিল। যৌক্তিক কারণে আগে এই সাইটগুলোতে দেশীয় গণমাধ‍্যমের সাংবাদিকদের সাথে নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

সবশেষে তাজুল ইসলাম লিখেছেন, ‘টিএফআই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত শেষ হয়ে বর্তমানে বিচারকার্য চলমান। গতকাল ট্রাইব‍্যুনালের মাননীয় বিচারকগণ অপরাধের প্রধান আলামত হিসেবে এই ঘটনাস্থল ভিজিট করতে গিয়েছিলেন। ট্রাইব‍্যুনালের অনুমতিক্রমে সাংবাদিকগণ প্রথমবারের মতো স্বচক্ষে এই ভয়াবহ ক্রাইম সাইট দেখার সুযোগ পান।’