শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী করতে শেরপুরে এডুকেশন এক্সপো অনুষ্ঠিত

বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বৃত্তি, ভর্তি ও ভিসা প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে শেরপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘শেরপুর এডুকেশন এক্সপো’।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) শেরপুর শহরের উৎসব কমিউনিটি সেন্টারে এডুকেশন এক্সপোর আয়োজন করা হয়। নেক্সাস গ্লোবাল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও নুশান’স আইইএলটিএস একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠানের প্রধান আয়োজক ছিলেন ব্যারিস্টার শাহাদাত হোসাইন।
আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল শেরপুরের শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানানো, তাদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং বিদেশে পড়াশোনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া।
মেলায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা, শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ, আবেদন প্রক্রিয়া, ভিসা সংক্রান্ত তথ্য এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন পথ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনার প্রস্তুতি, বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পান শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, সমাজসেবক রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাছুদুজ্জামান, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফাত আহমেদ, ব্যারিস্টার রানা, ব্যারিস্টার সাদিক, ব্যারিস্টার ফারহান, ব্যারিস্টার রিয়াদ ও অ্যাডভোকেট সাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের সামনে দেশ-বিদেশে নানা সুযোগ রয়েছে। সঠিক তথ্য, যথাযথ পরিকল্পনা ও সময়মতো প্রস্তুতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ নিতে পারে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সরাসরি সংশ্লিষ্ট ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য জানার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে।
প্রধান আয়োজক ব্যারিস্টার শাহাদাত হোসাইন বলেন, শেরপুরের শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে বাস্তব ও প্রয়োজনীয় ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

















