যশোরের মনিরামপুরে ভারী বর্ষণে সড়কে ধস

টানা ভারী বর্ষণে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক ধসে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা।
সড়কগুলোর এমন বেহাল দশা দেখে ইতোমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুসহ সংশ্লিষ্টরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
তবে পরিদর্শনের পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সড়ক মেরামতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে- মনিরামপুরের অন্যতম ব্যস্ততম সংযোগ সড়ক হিসেবে পরিচিত পারখাজুরা সড়কটি। সম্প্রতি অতিবৃষ্টির কারণে সড়কটির মাঝ বরাবর সম্পূর্ণ ধসে গেছে। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ওই সড়কের পাশ দিয়ে গড়ে ওঠা কর্দমাক্ত ও পিচ্ছিল পথ দিয়ে স্কুল-কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম জানান- ভারী বর্ষণের সময় রাস্তার পাশের একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ায় সড়কটি ধসে যায়।
পারখাজুরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী সোহান ও সাহেদুল ইসলাম জানায়- সড়কটি ধসে যাওয়ায় প্রতিদিন তাদের চরম ভোগান্তি ও কাদার মধ্য দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
অপরদিকে- মনিরামপুর-খানপুর সংযোগ সড়কের খামারবাড়ি সেতুর একপাশ ধসে গিয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জাকির হোসেন খান আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান- দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার করা না হলে পরবর্তী ভারী বর্ষণে পুরো সেতুটিই ধসে পড়তে পারে।
এছাড়া মনিরামপুর-মথুরাপুর সংযোগ সড়কের মসজিদ সংলগ্ন রাস্তার একপাশ ধসে পাশের পুকুরে বিলীন হয়ে গেছে। সড়কগুলোর এমন বেহাল দশা এবং মেরামতের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ইমদাদুল ইসলাম, জামশেদ হোসেন, আকরাম হোসেন ও জয়দেব কুমারসহ স্থানীয়রা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মনিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. ইয়াকুব আলী বলেন- ভারী বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতুর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।






























