যশোরের রাজগঞ্জে ৫ম শ্রেণির ছাত্রীর মুখের কাছে কাগজ দিয়ে অজ্ঞান, অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে মাদ্রাসার সামনে এক ছাত্রীকে অপরিচিত এক ব্যক্তি কাগজ ধরিয়ে দেওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিবারের অভিযোগ, ওই ঘটনার পেছনে অপহরণের চেষ্টা থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো মামলা বা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার পর রাজগঞ্জ বাজারে সিদ্দিকীয়া মডেল ফাযিল (বিএ) মাদ্রাসার সামনে।
ওই ছাত্রী হলো তারিন ইয়াসমিন (১১)। সে রাজগঞ্জ সিদ্দিকীয়া মডেল ফাযিল (বিএ) মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী এবং মণিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামের বাসিন্দা যুবদল নেতা তুহিন মাহমুদের মেয়ে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে মাদ্রাসা থেকে তারিন ইয়াসমিন বের হয়ে বাজারের রাস্তায় ওঠে। এ সময় অপরিচিত এক ব্যক্তি তার হাতে একটি কাগজ দিয়ে তাতে কী লেখা আছে তা পড়তে বলে। প্রথমে কাগজটি নিতে রাজি না হলেও ওই ব্যক্তি জোরাজুরি করলে একপর্যায়ে তারিন কাগজটি হাতে নেয়। পরে কাগজটি মুখের কাছে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সে অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যায় বলে জানা গেছে।
এ সময় বাজারের লোকজন ও মাদ্রাসার এক শিক্ষক তাকে উদ্ধার করে মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে যান। সেখানে মুখে পানি দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফেরে। পরে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন।
ঘটনার পর মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তারিনের পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। খবর পেয়ে তার বাবা মাদ্রাসায় এসে মেয়েকে নিয়ে যশোরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাজগঞ্জ সিদ্দিকীয়া মডেল ফাযিল (বিএ) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মাদ্রাসার সামনে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে মাদ্রাসায় নেওয়া হয় এবং জ্ঞান ফেরার পর তার কাছ থেকেই ঘটনার বিষয়টি জানতে পারি। এরপর তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় রাজগঞ্জ এলাকায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ওই অপরিচিত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।






























