শিগগিরই সাড়ে ১১ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের ১১ হাজার ৪৯৫টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মোশারফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত পদ রয়েছে ৪১ হাজার ৮০৬টি। এর বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। ফলে ১১ হাজার ৪৯৫টি পদ শূন্য রয়েছে। এসব পদে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে।’

চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে চিকিৎসকের প্রয়োজন নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় স্বাস্থ্য জনবল মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়। ২০২৬ সালে সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত একটি গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যূনতম মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ হাজার মানুষের জন্য দশমিক ৫০ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। সে হিসাবে ২০২৬ সালে বাংলাদেশে প্রায় ৮৮ হাজার ৯০৯ জন চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে।’

এর বিপরীতে দেশে বর্তমানে চিকিৎসক রয়েছেন ৩০ হাজার ৩১১ জন। অর্থাৎ প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসকের ঘাটতি ৫৮ হাজার ৫৯৮ জন বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে চিকিৎসকের মোট সংখ্যা এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় কর্মরত চিকিৎসকের সংখ্যা এক নয়। সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণ এবং জনগণের প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন নিয়োগ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ৪৪তম ও ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ৪৫তম, ৪৬তম, ৪৭তম ও ৫০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন নিয়োগের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।