নেত্রকোনার মদন পৌরসভায় সহকারি শিক্ষিকার বাসায় হামলা ৩ নারী গ্রেফতার

নেত্রকোনা মদন পৌরসভার ৬ নং ওর্য়াডে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা হাফসা আক্তারের ভাড়াটিয়া বাসায় অতর্কিত হামলায়ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানায়ায়,মদন পৌরসভার ৬ নং ওর্য়াডে পশ্চিম জাহাঙ্গীর পুর এলাকায় আব্দুল হাকিমের ৩ মেয়ে স্ত্রীসহ ৪ অক্টোবর বিকালে হাফসা আক্তারের বাসায় মেইন গেইট দিয়ে প্রবেশ করে এ সময় হাফসা আক্তার ভয় পেয়ে সহকারি শিক্ষিতা নুসরাত জাহানের বসত ঘরে চলে যায়।
তারা ঘরের মূল দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে অতকির্ত হামলা ও লুঠপাট চালায়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা হাফসা আক্তার ও নুসরাত জাহান কে হত্যার উদ্দেশ্য কিলঘুসি মারতে থাকলে সহকারি শিক্ষিকা নুসরাত জাহানের মা ফিরাতে আসলে থাকেও আঘাত করা হয়, এতে তিনি আহত হলে পরিবারের স্বজনারা তাকে উদ্ধার করে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্রেক্স নিয়ে গেলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে।
এ সময় নুসরাত জাহানের গলার চেইন ও আলমীরা ভেঙ্গে প্রায় ১১ ভরি স্বর্ণা অলংকার ও ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে করে এতে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকার ক্ষয়- ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় ৫ অক্টোবর নুসরাতের স্বামী গিয়াস মাহমুদ রুবেল বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে মদন থানায় লিখিত অভিযোগ করলে থানার পুলিশ রাতেই ০৩ নারীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
জানাযায়, এদের মধ্যে ২ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক।পৌরসভায় ফচিকা মহিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা আফরোজা বেগম,পশ্চিম জাহাঙ্গীর পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা লায়লা আক্তার লাবনী,ও তার মা মিলন আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ বিষয়ে আব্দুল হাকিম জানায়, আমার মেয়েদের সাথে সহকারি শিক্ষিকা হাফসা আক্তারের বাসা ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়, একপর্যায়ে তারা টেলাটেলি করায় সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফাতেমা সুলতানা বলেন, আমি শুনেছি বাসা ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটি ও সংঘর্ষ হয়েছে। এখানে আমার ০২ জন সহকারি শিক্ষক রয়েছে।
মদন থানার অফিসার ইনর্চাজ সালাউদ্দিন করিম জানায়, হাজী আব্দুল আজিজ সরকারি কলেজের শিক্ষক গিয়াস মাহমুদ রুবেলের দায়ের করা মামলায় ৩ জন নারীকে গ্রেফতার করে নেত্রকোনা কোর্ট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।






























