নেত্রকোনার মদনে পল্লী বিদ্যুৎ ট্রান্সফরমার চুরির হিড়িক

ইরি-বুরো মৌসুমের শুরু হওয়ার আগেই গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরির হিড়িক পড়েছে।প্রতিদিনই কোনো না কোনো সেচপাম্প এলাকার (গভীর নলকূপের) জন্য স্থাপিত ট্রান্সফরমারের চুরির খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এতে সেচপাম্প এলাকার কৃষকদের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে, মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নে সংঘবদ্ধ চোর চক্র গত এক সপ্তাহে অন্তত পক্ষে ৩/৪ টি গভীর নলকূপের ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে গেছে।
ফলে ঐ সব গভীর নলকূপ এলাকায় বিদ্যুৎহীন হয়ে জনভোগান্তিতে পড়েন নলকূপের মালিক-ম্যানেজাররাও চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পশ্চিম ফতেপুরএলাকার কালাম, রৌদ্রশ্রী উছমান,নায়েকপুর ইউনিয়নের মাখনা গ্রামের হিরণের গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যায়।
গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনগন জানতে পারলে মালামাল ফেলে চোরেরা পালিযে যায়।পশ্চিম ফতেপুরের চান মিয়া জানান, আমার মেয়ের জামাই রাত ১ ঘটিকার সময হাওর থেকে আসার পথে ২ জন লোক দেখতে পায়, পরে এদের আমি পরিচয় জানতে চাইলে একজন হলো ধলা গ্রামের সানোয়ারের ছেলে আর একজন শিযালধর গ্রামের বাসিন্দা, তাদের নাম আমার মনে নাই।পরে আমার মেয়ের জামাই টসলাইট দিযে দেখতে পায় ট্রান্সফরমার খোলে রেখে চোরেরা পালিয়ে যায়।
চুরি চক্রের আতঙ্ক এখন উপজেলা জুড়েই কৃষকদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। মদন উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ ডিজিএম আব্দুল্লাহ ইবনে আজিজ জানান, সংঘবদ্ধ চোর চক্র গভীর নলকূপের জন্য স্থাপিত ট্রান্সফরমারের লোপ তার চুরি করে কারণ, ঐখানে গভীর রাতে মানুষজন থাকে না। আর লোপ তারটি হচ্ছে অনেক দামি, এ তারগুলোর ভেতরের অংশ তামার, উপরের কভার পুড়ে ফেলে তামাগুলো বিক্রি করে চোর চক্র।
আমরা মদন থানায় চুরির ঘটনায় জিডি করেছি।
মদন থানার অফিসার ইনর্চাজ সালাউদ্দিন করিম জানায,আমি লিখিত অভিযোগ ফেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।






























