এখন থেকে সিলেট নগরীতে ভবন নির্মাণ করতে লাগবে সিউকের অনুমোদন

পরিকল্পিত নগর গঠন, সুশৃঙ্খল নগরায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে সিলেট মহানগরী ও সংলগ্ন এলাকায় আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক)। কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ছাড়া যে কোনো ধরনের ভবন নির্মাণ, সম্প্রসারণ বা পরিবর্তন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সংস্থাটি।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিউকের আওতাধীন এলাকায় ভূমি ব্যবহারের ছাড়পত্র, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন এবং জলাধার খনন বা পুনঃখননের জন্য আবেদন সিউকের কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। কার্যালয়ের ঠিকানাÑ২৯/এ ফরচুন গার্ডেন, বঙ্গবীর রোড, নাইওরপুল, সিলেট।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইমারত নির্মাণ আইন-১৯৫২, ইমারত নির্মাণ বিধিমালা-১৯৯৬ এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি)-২০২০ অনুসরণ করতে হবে। এ জন্য সিউকের তালিকাভুক্ত স্থপতি, প্রকৌশলী বা নকশাকারকের মাধ্যমে ভূমি জরিপ, মাটি পরীক্ষা ও নকশা প্রণয়ন করে আবেদন দাখিল করতে হবে।
এছাড়া রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০-এর ৫ ধারা অনুযায়ী সব ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে সিউকে নিবন্ধিত হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ীই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে। অবৈধ দখল, জলাশয় ভরাট কিংবা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে।
সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২৩-এর ৫৪ ধারার উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর সিউকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নেওয়া অনুমোদন অকার্যকর ও অননুমোদিত হিসেবে গণ্য হবে।
আইন বা বিধিমালা লঙ্ঘন করে পরিচালিত যে কোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করা হয়েছে।
নগরবাসীকে ভবন নির্মাণ, ভূমি ব্যবহার কিংবা সংশ্লিষ্ট যে কোনো কার্যক্রমের আগে সিউক কার্যালয়ে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সেবা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।





























