রাঙামাটিতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট; অটোরিকশাচালকদের ভোগান্তি

রাঙামাটিতে এলপিজি গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে সিএনজি অটোরিকশার দীর্ঘ সারি তৈরি হলেও চালকরা ৩০০ টাকার বেশি গ্যাস কিনতে পারছেন না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় পরিবহন চালকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এর ফলে রাস্তায় যানবাহন চলাচল কমে গেছে এবং শহরের স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) রাঙামাটি শহরের চারটি এলপিজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে মাত্র একটিতে গ্যাস সরবরাহ করতে দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্যাসের জন্য অপেক্ষমাণ অটোরিকশার সারি এক কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ ছিল। চালকদের অভিযোগ, গত কয়েক দিন ধরে শহরে তীব্র এলপিজি সংকট চলছে, যার ফলে তাদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে, তেমনি আয়ও কমে যাচ্ছে।

সিএনজি অটোরিকশা চালকরা জানান,গ্যাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে অর্ধেক দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আয় কমছে, যাত্রীর চাপ বাড়ছে। এ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে সিএনজি চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা এই জ্বালানি সংকট দ্রুত নিরসনে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করছেন।

‘মেসার্স হিল ভিউ ফিলিং স্টেশন’-এর ব্যবস্থাপক মো. মহসিন বলেন, “আমরা মাত্র ২ হাজার লিটার এলপিজি পেয়েছি। সরবরাহ সীমিত হওয়ায় আমরা প্রতিটি গাড়িকে ৩০০ টাকার গ্যাস দিচ্ছি। পর্যাপ্ত মজুদ না থাকায় আমরা পরিমাণ সীমিত করতে বাধ্য হচ্ছি।”

পরিবহন খাতের সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সংকট আরও তীব্র হতে পারে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে এলপিজি সরবরাহ দ্রুত বাড়ানোর এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছেন।