দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দেশে নতুন কোনো শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে না। ২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুসরণ করেই প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জন্য পৃথক নীতিমালা তৈরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শহীদ সাটু হলে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফিডিং কর্মসূচির ওরিয়েন্টেশন সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনতে পৃথক ‘টিচার পলিসি’ তৈরি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাজের মনিটরিং ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।’
প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলামেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘বাংলা ও গণিতের মতো ভিত্তিমূলক বিষয়গুলোর ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে ‘সিভিক’ ও ‘অ্যাক্টিভ এডুকেশন’ যুক্ত করা হচ্ছে। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিটি শিশুকে স্কুলে নিয়ে আসা এবং তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হচ্ছে।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিগগিরই মিড-ডে মিল পৌঁছে দেওয়া হবে। এর আগে এই কর্মসূচিতে যেসব ভুলত্রুটি ছিল, সেগুলো সংশোধন করে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘শুধু শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসাই যথেষ্ট নয়, বিদ্যালয়ে তাদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য শিক্ষক, প্রশাসন ও কারিকুলাম সব ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।’
জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসার সভাপতিত্বে ওরিয়েন্টেশন সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম বুলবুল ও জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুন অর রশিদ। এসময় প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, শিক্ষক ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।






























