‘ইমরান খান পাকিস্তানের রাজনীতির সানি লিওন’

পাকিস্তানের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক এবং রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রধান ইমরান খানকে পাকিস্তানের রাজনীতির সানি লিওন হিসেবে অভিহিত করেছেন দেশটির সিনেটর মুশাহিদুল্লাহ খান। এক নারী ধর্মগুরুকে ইমরান খান বিয়ে করেছেন, এমন খবরের প্রেক্ষিতে তিনি এই মন্তব্য করেছেন। খবর দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

সিনেটর মুশাহিদুল্লাহ খানের মতে, বলিউডে সানি লিওন যেমন একের পর এক স্ক্যান্ডাল সৃষ্টি করে সবসময় আলোচনায় থাকেন তেমনি ইমরান খানও নতুন নতুন স্ক্যান্ডালের জন্ম দিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিতে আলোচিত হন।

বুশরা মানেকা নামে ৫০ বছর বয়সী এক নারী ধর্মগুরুর কাছে আধ্যাত্মিক পরমার্শের জন্য প্রায়ই যেতেন ইমরান খান। গত শনিবার (৬ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে খবর রটে যে এই বুশরা মানেকাকে তৃতীয় বউ হিসেবে বিয়ে করছেন ইমরান খান। ফলে ইমরান খানকে নিয়ে নতুন করে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা। অনেকে তীর্যক মন্তব্য করতে থাকেন।

গত ৮ জানুয়ারি ইমরান এ বিষয়ে মুখ খোলেন। ইমরান বলেন, বিয়ে সেরে ফেলেননি, শুধুমাত্র বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছেন, বুশরা মানেকা নামের একজনকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক এই অলরাউন্ডার। কিন্তু কনে এখনও ‘হ্যাঁ’ বলেননি। সময় চেয়েছেন তার পরিবার ও সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য।

ইমরানের পক্ষ থেকে আসা বিবৃতিতে ছড়িয়ে পড়া বিয়ের খবর নিয়ে বলা হয়েছে, এটা খুবই ব্যক্তিগত বিষয়। এভাবে তা সংবাদ মাধ্যমে চলে আসা ভালো নয়। বুশরা মানেকা খুবই সাধারণ মানুষ। তিনি কোনো সেলিব্রিটি নন। এটা খুব সংবেদনশীল বিষয় যে দু’জনেরই সন্তানরা বিষয়টি সংবাদমাধ্যম থেকে জেনেছেন। যখন মানেকা প্রস্তাব গ্রহণ করে নেবেন, স্বয়ং ইমরান খানই সেই খবরটি সবাইকে জানাবেন।

৪০ বছর বয়সী মানেকার আরেকবার বিয়ে হয়েছিল। ইসলামাবাদের এক কাস্টমস অফিসারের সঙ্গে সে বিয়ে টেকেনি। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বললে তৃতীয়বারের মতো বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন ৬৬ বছর বয়সী ইমরান। যদিও গত ১ জানুয়ারি লাহোরে তারা বিয়ে সেরে ফেলেছেন বলেই খবর বেরিয়েছিল।

ইমরানের প্রথম স্ত্রী ছিলেন জেমিমা খান। ১৯৯৫ সালে দু’জনের বিয়ে হয়েছিল। যে বিয়ে ভেঙে যায় ২০১৪ সালে। ২০১৫ তে এসে রেহাম খানকে বিয়ে করেন ইমরান। সেই বিয়েও টেকেনি।