কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়ায় পুলিশের দুঃসাহসিক অভিযান: এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অভিযানে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে পুলিশ। গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনিসুর রহমানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এক দুঃসাহসিক অভিযানে প্রায় এক লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া ইউনিয়নের সিকদারপাড়া (পশ্চিমপাড়া) এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) জুয়েল চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) মনিরসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা।

অভিযানে এলাকার নুরুল আমিনের ছেলে, স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘বাইকার সোহেল’-এর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার পরিমাণ প্রায় এক লাখ পিস বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা হতে পারে।

অভিযানের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাদককারবারিদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ ছিল এলাকাবাসী। নবাগত কর্মকর্তার নেতৃত্বে পুলিশের এমন সাহসী পদক্ষেপে তারা আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পরিচালিত হয় এই সফল অভিযান।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এসআই জুয়েল চৌধুরীর পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার প্রশংসা করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, পুলিশের এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকলে সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদককারবার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।