খুলনার ৬টি আসনে ভোট ও গণভোটের ব্যালট পেপার হস্তান্তর সম্পন্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-এর প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে খুলনা জেলায়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারি শাখা থেকে ৬টি সংসদীয় আসনের ৯টি উপজেলায় নির্বাচনের ব্যালট পেপার এবং গণভোটের ব্যালট পেপার হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ব্যালট পেপার হস্তান্তর কার্যক্রম পরিচালনা করেন নির্বাচনি কার্যক্রমের দায়িত্বে থাকা উপজেলা ও মহানগরীর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ট্রেজারি সূত্র জানায়, শনিবার সকলে যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচনের ব্যালট বক্স ও অন্যান্য সরঞ্জাম উপজেলা পর্যায়ে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। এরপর সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে এবং মহানগরীর দুটি আসনের জন্য নির্বাচনি উপকরণ প্রেরণ করা হয়। এর আগে, শনিবার উপজেলার ভোটকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়েছে।
ব্যালট পেপার হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন বিদেশি নির্বাচন পরিদর্শকরা। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও শ্রীলঙ্কা থেকে আগত এই পরিদর্শক টিম কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন এবং সরাসরি নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখেন।
জেলা নির্বাচন অফিসার মো. সোহেল সামাদ বলেন, “ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনের ব্যালট পেপার ও গণভোটের ব্যালট পেপার সোমবার সকল সরকারি রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেলার ৮৪০টি ভোট কেন্দ্রে সমস্ত নির্বাচনি সরঞ্জামাদি পৌঁছে যাবে। আমরা নিশ্চিত করেছি, ভোটারদের জন্য প্রতিটি কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত থাকবে।”
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ব্যালট প্যাকেটের যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর আগে প্রতিটি ব্যালটের সংখ্যা, গুণমান এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে মনিটরিং চালাচ্ছে যাতে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসঙ্গতি না ঘটে।
এদিকে, জেলার প্রতিটি উপজেলা ও মহানগরীর রিটার্নিং কর্মকর্তারা সরাসরি দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্বাচনের দিন এবং এর আগে ও পরে সমস্ত নির্বাচনি সরঞ্জাম ও ব্যালট নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানোর জন্য সকল ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের ঠিক আগের এই প্রস্তুতি কার্যক্রম জেলার সব ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা ও উৎসাহ বৃদ্ধি করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ ধরনের সংগঠিত ও মনিটরিংসহ হস্তান্তর প্রক্রিয়া ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।






























