চাইল্ড কেয়ার প্রী- ক্যাডেট স্কুলের আয়োজনে নবীনবরণ ও পিঠা উৎসব

কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুরে চাইল্ড কেয়ার প্রী- ক্যাডেট স্কুলের বর্ণাঢ্য আয়োজনে শীত কালীন পিঠা উৎসব ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারী) চাইল্ড কেয়ার প্রী- ক্যাডেট স্কুলে প্রাঙ্গণে কোমলমতি শিশুদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে এই অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কর্মসূচি শুরু করা হয়। প্রতিটি শিশু শিক্ষার্থী কে ফুল দিয়ে বরণ করা হয়।
উজ্জল সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুরের স্বনামধন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি অধ্যাপক এবিএম সিদ্দিক চঞ্চল, গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফাজুর রহমান খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকবর হোসেন ডিলার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ,,,, স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ মাজাহারুল ইসলাম। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত শীত কালীন পিঠা উৎসব এবং নবীন বরণ অনুষ্ঠান কে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এক আনন্দগন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
প্রাচীন ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পিঠা উৎসবে স্থাপিত নানা ধরনের পিঠা তৈরি করে অনুষ্ঠানে আগত সম্মানিত অতিথিদের নিকট উপস্থাপন করা হয়। নবীনবরণের এই দিনে পিঠা উৎসবে ভিন্ন ভিন্ন প্রকারের বাঙালির ঐতিহ্যবাহী পুলি পিঠা, পাটিসাপটা, জামাই পিঠা, বেনি পিঠা, পাকান পিঠা, ভাপা পিঠা, কমলা সুন্দরী, তালের বড়া, নকশি পিঠা, সেমাই পুলি পিঠা, রস পিঠা, সবজি পাকান, ছিটা রুটি, শামুক পিঠা, ডিম পিঠাসহ প্রায় ৭০ রকমের পিঠার আয়োজন করেন স্কুল পড়ুয়া কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা।
স্কুলে প্রবেশের প্রথমেই নবীন শিক্ষার্থীরা এমন অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করতে পেরে খুবই আনন্দিত বোধ করেছেন শিশু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। এ সম্পর্কে প্লে,নার্সারি শ্রেণীতে ভর্তি হওয়া একাধিক অভিভাবক বলেন, আমরা জানতাম উচ্চ বিদ্যালয়ে, কলেজ ভার্সিটিতে এ ধরনের নবীন বরণ অনুষ্ঠান হতো নার্সারি ও প্লে তে ভর্তি হওয়া শিশুদের নিয়ে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করায় কিন্ডারগার্ডেন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
এ ব্যাপারে আয়োজক মোঃ মাজাহারুল ইসলাম বলেন, আমরা ব্যক্তি উদ্যোগে নবীনবরণ ও ঐতিহ্যবাহী পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি। আমাদের এই উৎসব নতুন শিক্ষার্থী ও পুরোনো শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম থেকেই আশা করি একটি সুন্দর সম্পর্ক গড়ে দিতে সক্ষম হবে।
বিশেষ করে নতুন-পুরোনো মিলে যেভাবে আমাদের এই উৎসবটি সাফল্যমন্ডিত করল, সেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


















