ভয়ভীতি আর টাকার প্রলোভন দেখিয়ে লাভ নেই,জনগণ ব্যালটে জবাব দিবে: শাহিন

ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহ্ নুরুল কবির শাহিন বলেছেন,’একটি দলের লোকজন হাতপাখার নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে।
আমাদের কর্মীর মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। কিন্তু কেন? তাদের এতো ভয় কিসের! তাদের ভয় হচ্ছে হাতপাখার গণজোয়ার দেখে। আমাদের এখন আর চুপ থাকলে চলবে না, এখন থেকে প্রতিবাদ করতে হবে। এখন থেকে আমরা প্রতিদিন চার ঘণ্টা ঘুমাবো,জনগণের দ্বারে দ্বারে যাবো। ১২ তারিখের পর ঘুমের ঘাটতি পুষিয়ে নিবো।’
(৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩ টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ অডিটোরিয়ামে জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ঈশ্বরগঞ্জ শাখার আয়োজনে একটি কল্যাণ রাষ্ট্র বিনির্মাণে উলামায়ে কেরামগণের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব শাহ্ নুরুল কবির শাহিন এসব কথা বলেন।
হাতপাখা প্রতীক মনোনীত প্রার্থী শাহিন আরও বলেন,জনগণ এখন আর মার্ক দেখে ভোট দেয় না, ভোট দেয় ব্যক্তি দেখে। দুর্নীতি পরায়ণ লোককে জনগণ ভোট দিবে না। তাই মানুষকে ভয়ভীতি আর টাকার প্রলোভন দেখিয়ে লাভ নেই। আগামী ১২ তারিখ ব্যক্তিকে বিবেচনা করেই জনগণ ব্যালটে তার জবাব দিবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে শাহিন বলেন,আপনাদের কাজ হচ্ছে ১২ তারিখ ভোটকেন্দ্রে শক্ত অবস্থান তৈরী করা। জনগণের আমানতকে রক্ষা করা,যাতে কোন অপশক্তি জনগণের আমানতকে ছিনিয়ে নিতে না পারে। ভোটকেন্দ্রে কেউ অনৈতিক কাজ করার চেষ্টা করলে বাজপাখির মতো থাবা দিয়ে ধরে তাদের প্রতিহত করবেন।
ঈশ্বরগঞ্জবাসীর উদ্দেশ্যে শাহিন বলেন, প্রিয় ঈশ্বরগঞ্জবাসী আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে আপনার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিবেন। কারও হুমকিতে ভয় পাবেন না। আমি নির্বাচিত হলে সকল চাঁদাবাজ, ক্যাসিনোচক্র ও দুর্নীতিবাজদের নির্মুল করে একটি সুখী,সমৃদ্ধি ও আলোকিত ঈশ্বরগঞ্জ গড়ে তুলবো।
আলোচনা সভায় জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ ঈশ্বরগঞ্জ শাখার সভাপতি মুফতি খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ(সিলেট বিভাগের) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মঈনুদ্দীন খান তানভীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি হাবিবুল্লাহ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শাখা ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।






























