নেত্রকোনার মদনে উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার কান্ড অফিস সময়ে করছেন ব্যবসা

নেত্রকোনার মদন উপজেলার উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের কান্ড অফিস ফাঁকি দিয়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অফিস সময়েই ব্যবসা পরিচালনা করছেন তিনি। অফিস কাজ না করে কর্ম এলাকায় ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে।
জানা যায়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের অধীনে পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাসের অধিকাংশ সময়েই বন্ধ থাকে অফিসটি। কাগজে কলমে একজন কর্মকর্তা থাকলেও নানা সমস্যা নিয়ে অফিসে এসে কৃষকরা কর্মকর্তাকে পান না। এতে কৃষকরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সোমবার সকাল ১২.৪৫ মিনিটে পাট উন্নয়ন অফিসে সরজমিনে গেলে পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি। অফিস কক্ষটি তালা বদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা অফিস না করে কেন্দুয়া রোডে মেটাল নামীয় একটি মেশিনারিজ দোকানে টি শার্ট পরিহিত অবস্থায় ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখা গেছে। পরে সাংবাদিক দেখে তিনি তার দোকান থেকে সরে যান।
তবে অভিযোগ রয়েছে, উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের পর থেকেই নিয়মিত অফিস করেন না। পাটচাষীদের পাট চাষ করার জন্য উৎসাহীত করেন না। এমনকি তাদের সরকারি ব্যয়ে প্রশিক্ষণও সঠিকভাবে করান না কৃষকদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কৃষক জানান, আমরা পাটচাষী তবে পাট কর্মকর্তার খোঁজে অনেক সময় অফিসে গিয়ে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া তিনি একটি মালিকানা বাসা ভাড়া নিয়ে অফিস করছেন। তবে উনার নিকট থেকে কোন কৃষক পরার্মশ পাইনি।
এ ব্যাপারে উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান পরে এক সময় এসে আপনাদের সাথে কথা বলব।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী দের বেদবতী মিস্ত্রী জানান, অফিস সময়ে কোন ব্যবসা পরিচালনা করা কোন ভাবেই সম্ভব নয়। এ নিয়ে উনার সাথে আমি কথা বলতেছি।
জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান নোমানী জানান, অফিস কার্যক্রমের মধ্যে কোন ভাবেই ব্যবসা কিংবা অন্য কোন কাজ পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এখনত এমনেই আমাদের পাট চাষের মৌসম চলছে। আমি তাঁর সাথে কথা বলব।






























