শেরপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিএনসিসির র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান

দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুরে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিএনসিসি প্লাটুন, শেরপুর জেলার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ‘নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

র‍্যালির উদ্বোধন করেন শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুর রউফ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আক্রাম হোছাইন, শেরপুর সরকারি কলেজ বিএনসিসি প্লাটুনের পিইউও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের পিইউও তৃষা রাণী সিংহ রায়, শেরপুর সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমি বিএনসিসি প্লাটুনের টিইউও মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং সামরিক প্রশিক্ষক কর্পোরাল মো. মনিরুজ্জামান।

শেরপুর সরকারি কলেজ থেকে র‍্যালিটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিএনসিসির ক্যাডেটরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন।

বিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, দেশব্যাপী ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব রোধ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে ১৩ আগস্ট সারাদেশে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সদর দপ্তর ৪ বিএনসিসি ব্যাটালিয়নের ৯ আগস্টের এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বিএনসিসির সব প্লাটুনের ক্যাডেটদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং কার্যক্রমের মিডিয়া কভারেজের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়।

কর্মসূচিতে বলা হয়, জমে থাকা পানিই এডিস মশার প্রধান প্রজননক্ষেত্র। তাই বাড়ির আঙিনা, ছাদ, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, টায়ারসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করতে হবে।

আয়োজকরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন অভিযান যথেষ্ট নয়; ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা এবং পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করাও জরুরি। ‘জমে থাকা পানি নয়, পরিচ্ছন্নতায় ডেঙ্গু ক্ষয়’—এই বার্তা সামনে রেখে সবাইকে নিজ নিজ আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়।