হাতীবান্ধায় যৌতুক ও জমি বিক্রয় করে নিতে না পারায় নির্যাতন: নিরাপত্তাহীনতায় মোমেনা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় যৌতুক ও জমি নিজের নামীয় জমি স্বামী না দেয়ার ঘটনায় নির্যাতনের শিকার হয়ে সন্তান ও পুত্রবধুকে নিয়ে অন্যের বাড়ীতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন মোমেনা বেগম। বর্তমানে ওই মোমেনা বেগম চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন।

গত ২৭/০৬/২৬ ইং তারিখে স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়ে চিৎকার করলে তার ছেলেও পুত্রবধু বাঁচাতে গিয়ে তারাও মারপিটের শিকার হন। শাশুড়ী মোমেনা বেগমকে বাঁচাতে গিয়ে পুত্রবধূ হোসনে আরার গর্ভপাতের অভিযোগ শশুড়ের পরিবারের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী মোমেনা বেগম অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার স্বামী শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের টাকা ও নিজ নামের জমিটি বিক্রয় করে নেয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। স্ত্রী মোমেনার নামীয় জমি বিক্রি করতে না পারায় অত্যাচারের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

গত ২৭/০৬/২৬ তারিখে স্বামী তার পরিবারের লোকজনের হামলায় নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার পর ছেলেও পুত্রবধুকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেন।

তিনি আরো জানান, বারবার নির্যাতনের শিকার হলেও স্বামীর আচরণে কোন পরিবর্তন আসেনি। উল্টোভাবে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এ কারনে তিনি নিজ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শঙ্কিত।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোমেনা খাতুন তার স্বামী শহিদুল ইসলামসহ আরো ৮ জনের নাম উল্লেখ করে লালমনিরহাট জজ আমলী আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।কিন্তু অভিযোগ করার পরও আইনী অগ্রগতি না পেয়ে দিন দিন নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে বলে দাবী মোমেনা খাতুনের।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন,” আমি ও আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্যাতনের বিচার চাই। ”

এবিষয়ে ভুক্তভোগী মোমেনা খাতুনের স্বামী শহিদুল ইসলাম বলেন, তাকে আমার বিরুদ্ধে আরো মামলা করতে বলেন।আমার কিছুই করতে পারবে না।

অভিযোগ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার পরিদর্শক আব্দুস সালাম দায় সাড়া ভাবে বলেন, মেডিকেল সার্টিফিকেট আসলে তারপর তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।তা ছাড়া উনিতো ওখানে থাকেন না।