তারুণ্যের আইডল জনবন্ধু মোস্তফা কামাল মাহ্দী

আবু রায়হান মিকাঈল, সুজন হাসান : গণ মানুষের আত্মনিবেদিত প্রথিতযশা সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সংগঠক, সমাজসেবায় নিবেদিত প্রাণ বর্তমান প্রজন্মের তারুণ্যের অন্যতম আইডল জনবন্ধু মোস্তফা কামাল মাহ্দী। তিনি গত দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে লেখালেখি করে যাচ্ছেন। লেখালেখির শুরু করার কয়েক বছর পরে সাংবাদিকতার সাথে জড়িত হন। কাজ করেছেন জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক, দ্বি- মাসিক, ত্রৈমাসিক পত্রিকা, ট্যাবলয়েড, ম্যাগাজিন, লিটলম্যাগে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রধান প্রধান পদে। দেশের অসংখ্য পত্রিকা এবং ম্যাগাজিনে তাঁর বিভিন্ন বিষয়ে কবিতা, ছড়া, গল্প, প্রবন্ধ, কলাম, নিবন্ধ, ধারাবাহিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে এবং পাঠকমহলে সমাদৃত হয়েছে।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী জীবনের শুরু থেকে অদ্যবধি কাজ করেছেন তরুণ, যুবক এবং প্রবীণদের নিয়ে। তরুণদের উদ্যোক্তা তৈরী এবং স্বনির্ভর করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন দেশগ্রাম মিডিয়া সেন্টার, দেশগ্রাম মিডিয়া প্রেসক্লাব সহ অনেক অনেক সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে তিনি বিনোদন বিষয়ে সিনেমাটিক কলাম লিখে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছিলেন। বর্তমানেও তিনি সুস্থ বিনোদনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। যুক্ত আছেন এক সময়ের সোনালী পর্দার সুপার স্টার ওমর সানী অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠাতা এবং উপদেষ্টা হিসেবে।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী’ নামটির সাথে আমাদের পরিচয় ১৫/১৬ বছর ধরে। এই সুদীর্ঘ সময়ে মানুষটির দিনরাত কর্মযজ্ঞ আমাদেরকে করেছেন প্রেরণায় উদ্দীপ্ত। সাপ্তাহিক দেশগ্রাম পত্রিকার সূচনালগ্নে আমি রায়হান ছিলাম প্রতিষ্ঠানটির একজন সাধারণ কর্মী। সেখান থেকে পরবর্তীতে আমি আমার যোগ্যতায় পর্যায়ক্রমে সাব- এডিটর, সিনিয়র সাব-এডিটর, যুগ্ম- বার্তা সম্পাদক, চীফ রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হয়েছি এবং বর্তমানে সহকারী সম্পাদকের দায়িত্বে আছি। তিনি দিনে সাপ্তাহিক দেশগ্রামের সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব পালন করেছেন আর রাতে নিজেই পত্রিকা প্রকাশের জন্য প্রেসে ছুটেছেন। পত্রিকার শুরুটার দিকে সব সময় সঙ্গী হিসেবে তিনি সাথে রাখতেন আমাকে। অহংকার বা দাম্ভিকতার সামান্যতম রেশ ছিল না তাঁর মাঝে। সাদাসিধে এই মানুষটি সবাইকে হাসি – খুশি রাখতে নিজের সবটুকু প্রশান্তি বিলিয়ে দিয়েছেন।

আমি সুজন হাসান সাপ্তাহিক দেশগ্রাম পত্রিকা জন্মের পূর্বে মোস্তফা কামাল মাহ্দী সম্পাদিত সাপ্তাহিক দেশকন্ঠ ( সরকার নিবন্ধন দেয়নি) পত্রিকা থেকে সম্পৃক্ত। সাপ্তাহিক দেশগ্রাম এর স্লোগান ” সাম্প্রতিক সময়ের প্রতিচিত্র ” এটা আমার-ই দেওয়া। শুরুতে রিপোর্টার হিসেবে পথচলা হলেও পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে সাব- এডিটর, সিনিয়র সাব-এডিটর, দীর্ঘদিন যুগ্ম- বার্তা সম্পাদক থাকার পর বর্তমানে বার্তা সম্পাদকের দায়িত্বে আছি। অনেক বছর তাঁর সাথে থাকলেও আমি মাহ্দী ভাইয়ের সাথে এবং মাহ্দী ভাই আমার সাথে একই বিছানায় ৬/৭ বছর ধরে ছোট ভাই – বড় ভাইয়ের মতো থেকেছি আমরা। দেশগ্রাম এর জন্য তাঁর সেক্রিফাইস তা আর বলে শেষ করা যাবে না।

দেখতে দেখতে জীবনের অনেকগুলো বসন্ত পার করলেন মোস্তফা কামাল মাহ্দী। জীবনের প্রত্যেকটি বসন্ত তিনি রাঙিয়েছেন নতুন তারুণ্যদীপ্ত শপথ নিয়ে। তারুণ্যের ভালোবাসা মোড়ানো এই মানুষটির ২ মে শুভ জন্মদিন। জন্মদিনে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচছা।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলার ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়নের বুখইতলা বান্ধব পাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় বুখইতলা হাতেমিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রব আকন এবং মরহুমা শাহীনা বেগমের চার পূত্রের মধ্যে মোস্তফা কামাল মাহ্দী দ্বিতীয় সন্তান এবং তাঁর দাদা-দাদীর ৬৫ জন নাতি- নাতনীদের মধ্যে ৩৮ তম। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিক বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বিশেষ করে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ, ইসলামিক স্টাডিজে এমএ, রাস্ট্র বিজ্ঞানে এমএসএস, কামিল এমএ (তাফসীর), ইংরেজী ভাষা ও সাহিত্যে বিএ অনার্স এম এ, জার্নালিস্ট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম (জুনিয়র ডিপ্লোমা) সহ আরো বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং করে যাচ্ছেন।

নব্বই দশকের মাঝামাঝি বিনোদনের সেরা সাপ্তাহিক “ছায়াছন্দ” ম্যাগাজিন পত্রিকার মাধ্যমে লেখালেখি শুরু করেন। বর্তমানে তিনি একজন খ্যাতিমান সাংবাদিক, সম্পাদক, প্রকাশক, গবেষক,, সংগঠক, রাজনীতিক, আলোচক, ইসলামী চিন্তাবিদ। ২০০০ সালের পর থেকে অদ্যবধি তিনি বিভিন্ন পত্রিকা এবং ম্যাগাজিনে লেখালেখি এবং সাংবাদিকতা করে আসছেন। কাজ করেছেন সাপ্তাহিক ছায়াছন্দ (কলামিস্ট) , সাপ্তাহিক মঠবাড়ীয়া সমাচার (নিজস্ব প্রতিনিধি) , সাপ্তাহিক খোরাক (বিশেষ প্রতিনিধি) , সাপ্তাহিক / দৈনিক আলোচনা (সাহিত্য সম্পাদক), সাপ্তাহিক চেতনা (সিনিয়র প্রতিবেদক) , সাপ্তাহিক সোনার বাংলা (জেলা প্রতিনিধি) , সাপ্তাহিক আর্থিক খবর( নির্বাহী সম্পাদক) , মাসিক স্কুল বিচিত্রা ( নির্বাহী সম্পাদক), সাহিত্য পত্রিকা বুনন ( নির্বাহী সম্পাদক), সম-সাময়িক ম্যাগাজিন – আয়না ( সম্পাদক), দৈনিক সংগ্রাম (সংবাদদাতা), দৈনিক নয়া দিগন্তে ( সংবাদদাতা), হিসেবে। এছাড়াও যুক্ত ছিলেন বুনন সাহিত্য সংসদ ( সাধারণ সম্পাদক), আয়না সাহিত্য পরিষদ ( সাধারণ সম্পাদক), সকাল সাংস্কৃতিক সংসদ ( চেয়ারম্যান – মাওলানা তারিক মুনাওয়ার) এর প্রচার সম্পাদক হিসেবে।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি ইতিপূর্বে তিনি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট লেকচারার, প্রাইভেট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং প্রাইভেট হাইস্কুল এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন।

শিশুকাল থেকে মোস্তফা কামাল মাহ্দী বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইসলামী সংগীত, কুরআন তিলাওয়াত এবং ক্রীড়াঙ্গনে সফলতার সাথে এগিয়ে উঠে এসেছেন। স্কুল জীবন থেকে তিনি একজন আলোচক তথা বক্তা হিসেবে স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। স্কুল জীবন থেকে ধর্মীয় আলোচক হিসেবে তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে, তাফসির মাহফিলে আলোচনা পেশ করতেন এবং পরবর্তীতে তিনি বড় বড় তাফসির মাহফিলে প্রধান বক্তা তথা প্রধান আলোচক, প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি হিসেবে তাফসির পেশ করেন এবং ওইসব মাহফিলগুলোতে সংসদ সদস্য (এমপি) থেকে শুরু করে ইউপি চেয়ারম্যান পর্যন্ত রাজনীতিবিদ এবং গবেষকরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতেন। ২০১৮ সালে ” আযানের টানে” শিরোনামে একটি মৌলিক ইসলামী সংগীতের কণ্ঠশিল্পী ছিলেন তিনি। এরপর তাঁর মা অসুস্থ হওয়াতে তাঁর মা’কে নিয়েও একটি সংগীত প্রকাশিত হয়, যে সংগীতের তিনি কন্ঠশিল্পী এবং সুরকার ছিলেন। এর পরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে তিন বছর অনেক দুর্দশায় জীবন কাটান।তাঁর অসুস্থতার ব্যাপারে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠ ডাক্তারেরা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কোন রোগ খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে প্রভাষক ডা. জাকির হোসেন (বর্তমানে আমেরিকায় পিএইচ,ডি গবেষণারত) এর তত্ত্বাবধানে আবার পূর্বের ন্যায় আল্লাহর অসীম রহমতে সুস্থতা লাভ করেছেন। এই অসুস্থতার কারণে তিনি তার ক্যারিয়ার থেকে অনেক পিছনে পড়ে যান। এখন সুস্থতায় আছেন বলে আগামীতে তাফসির মাহফিল, আলোচনা সভা, ইসলামী সঙ্গীতে, সাংবাদিকতায়, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং রাজনীতিতে মনোযোগের সহিত এগিয়ে যাচ্ছেন।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী’ সম্পাদনায় – দিন বদলের পালা (২০০৬), কাব্য জোছনা (২০১৮) প্রকাশিত হয়েছে এবং অপ্রকাশিত রয়েছে এক ডজনেরও বেশি গ্রন্থ। তিনি ২০১৮ সালের দক্ষিণ বাংলা গ্রন্থ উৎসবে সংবর্ধিত হন, ২০১৯ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তার নিজ এলাকা মঠবাড়িয়া থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছিলেন, ২০২০ সালে ২৭ নভেম্বর মাদারীপুর জেলা মিডিয়া সেন্টারের পক্ষ থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে সংবর্ধিত হয়েছিলেন, ২০২১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তর্কবাগীশ সাহিত্য সম্মাননা এবং ৮ অক্টোবর চিত্রনায়ক ওমর সানী অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের আজীবন সম্মাননা পদক, ২০২৪ সালে আল্লামা ইকবাল আন্তর্জাতিক পদক লাভ করেন। এরপর ২০২৫ সালের প্রথম দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার হলে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড রাইটার্স এসোসিয়েশনে বাংলা সাহিত্যের বেস্ট সার্টিফিকেট অর্জন করেন এবং ২০২৫ সালের শেষদিকে ডিএ তায়েব ফ্যান ক্লাব কর্তৃক চলচ্চিত্র বিনোদন গবেষণায় সম্মাননা পদক লাভ করেন। তিনি ন্যাশনাল পিপলস পার্টি – এনপিপি’র প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী বর্তমানে জাতীয় পত্রিকা দেশগ্রাম এর সম্পাদক ও প্রকাশক, দেশগ্রাম মিডিয়া সেন্টার, দেশগ্রাম মিডিয়া প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রধান শিক্ষক বাবা আবদুর রব আকন এবং মরহুমা মা শাহীনা বেগমের স্মৃতি রক্ষার্থে প্রতিষ্ঠা করেছেন শাহীনা রব স্মৃতি পদক, সাহিত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে গঠন করেছেন দেসাস- দেশগ্রাম সাহিত্য সংসদ, দেশগ্রাম পদক, দেশগ্রাম মিডিয়া সেন্টার এর পদক, দেশগ্রাম সাহিত্য সংসদ – দেসাস পদক, দেশগ্রাম মিডিয়া প্রেসক্লাব পদক। আগামীতে প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন, দেশগ্রাম কুরিয়ার সার্ভিস লি:, দেশগ্রাম মাল্টিমিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল, আইপি টিভি সহ একাধিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান।

মোস্তফা কামাল মাহ্দী ভাই বর্তমানে সিঙ্গেল জীবন যাপন করছেন। আমি- আমরা, তাঁর ভক্ত জুনিয়র – সিনিয়র সকলে তাঁকে দ্রুত ডাবোল হিসেবে দেখতে চাই। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিয়ে- শাদী আল্লাহর হুকুমে একদিন ঠিকই সম্পন্ন হবে ইনশাআল্লাহ। আমি বর হয়ে প্রস্তাব দিবো না, কনে পক্ষরা অথবা কনে নিজেই আমাকে প্রস্তাব দিলে আমি অবশ্যই ভেবে- চিন্তে সিদ্ধান্ত নেবো ইনশাআল্লাহ। প্রথমে কনে পক্ষ থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া সুন্নত। তাই আমি কনে পক্ষের প্রস্তাবের অপেক্ষায় আছি। এ বছর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তাঁর এলাকা পিরোজপুর- ৩ ( মঠবাড়ীয়া) আসন থেকে এমপি পদপ্রার্থী থাকলেও বিভিন্ন কারণে অংশগ্রহণ করেন নি। তিনি একজন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ। বিভিন্ন গুনাবলী ও কার্যক্রমের কারণে তাঁর ভক্তবৃন্দ তাকে ” জনবন্ধু ” হিসেবে মনে করে থাকেন।

গত বছরের তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে জেনেছিলাম ২ মে মোস্তফা কামাল মাহ্দী’র জন্মদিনে তিনি ছাড়াও পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত বিখ্যাত মানুষেরা জন্মগ্রহণ করেছেন। তন্মধ্যে – স্পেনের প্রখ্যাত আলেম আবু উমর ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ রহ. (১০৬১),চীনের সম্রাট ইয়ংলে (১৩৬০), ইতালীয় সুরকার আলে সান্দো সকারলাটি (১৬৬০), ইংরেজ রস সাহিত্যিক জেরোম কে জেরোম (১৮৫৯), রাশিয়ার আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, দশম প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার কেরেনস্কাই (১৮৮১), জার্মানি কবি, লেখক গটফ্রিড বেন (১৮৮৬), মাইকেল বোহনেন (১৮৮৭), আমেরিকার লেখক বেঞ্জামিন স্পোক (১৯০৩), জার্মানির সাংবাদিক এক্সেল স্প্রিংয়ার (১৯১৪), বিশ্ব বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় (১৯২১), ইংরেজ অভিনেতা জন নেভেলি (১৯২৫), বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সাবেক খতিব আল্লামা উবায়দুল হক রহ. (১৯২৮), কবি, ছড়াকার, রাজনীতিবিদ ফয়েজ আহমেদ (১৯২৮), ফরাসির সাবেক প্রধানমন্ত্রী এদুয়ার বালাদুর (১৯২৯), ইরাকের তৃতীয় এবং শেষ বাদশাহ দ্বিতীয় ফয়সাল (১৯৩৫), স্প্যানিশ সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার লুইস সুয়ারেজ মিয়ামোন্টেজ (১৯৩৫), ইংরেজ অভিনেতা ও প্রযোজক ডেভিড সুচেট (১৯৪৬), আমেরিকার অভিনেত্রী ও গায়িকা ক্রিস্টিন বারন্সকি (১৯৫২), ইংরেজ আইরিশ সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার ডেভিড ও’লিয়ারি (১৯৫৮), বিশ্ব বিখ্যাত ক্রিকেটার ব্রায়ান লারা (১৯৬৯), রেসলার কিং উইলিয়াম রক (১৯৭২), সাবেক উপদেষ্টা এবং চলচ্চিত্রকার মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী (১৯৭৩), পর্তুগিজ ফুটবলার ও ম্যানেজার টিয়াগো মেন্ডেস (১৯৮১), ইতালির ফুটবলার আলেসান্ড্রো ডিয়ামান্টি (১৯৮৩), লন্ডনের কম্পোজার লিলি এলিয়েন (১৯৮৫), খ্যাতিমান লেখক মার্টিন টোনডার এবং ক্যাথারিন দ্য গ্রেট প্রমূখ বিশ্ব বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা। আমরা আশা করছি আমাদের প্রিয় সম্পাদক – প্রকাশক, প্রিয় আইডল, প্রিয় উস্তাদ, জনবন্ধু মোস্তফা কামাল মাহ্দী ভাইও একদিন পুরো বিশ্বে পরিচিত লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ।