অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে
নওগাঁর বদলগাছিতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হতদরিদ্র পরিবারের ছাগল পিটি হত্যার অভিযোগ

নওগাঁর বদলগাছিতে জমিজমা নিয়ে শত্রুতার জেরে উপজেলা অফিস সহকারীর আব্দুর রসিদ নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে দুইটি এক মাসের ছাগলের বাচ্চা রেখে একটি মা ছাগলকে কোদালের গোড়ালি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছাগলটি মারা যায়। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বদলগাছী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বিলাসবাড়ী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগমের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ এই অমানবিক ঘটনা ঘটিয়েছেন। স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা বেগমের সঙ্গে আব্দুর রশিদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে।
গত শনিবার সবার অগোচরে আব্দুর রশিদ ফাতেমা বেগমের একটি উন্নত জাতের মা ছাগলকে লক্ষ্য করে কোদালের গোড়ালি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। আজ রবিবার সকালে যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে ছাগলটি মারা যায়। মারা যাওয়া মা ছাগলটির দুটি এক মাসের ছোট বাচ্চা রয়েছে।
ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম বলেন, “মানুষের সাথে মানুষের শত্রুতা থাকতে পারে, কিন্তু এই অবলা প্রাণীটার অপরাধ কী ছিল? দুটি ছোট বাচ্চাকে রেখে মা ছাগলটাকে এভাবে পিটিয়ে মারা হলো। আমি এই নিষ্ঠুর ঘটনার বিচার চেয়ে ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ দিয়েছি।” এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি এই ছাগল হত্যার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নই। জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় প্রতিপক্ষ আমাকে ফাঁসাতে এবং মূল ঘটনাকে অন্য খাতে প্রবাহিত করতে এই মিথ্যা ষড়যন্ত্র করছে।”
এব্যাপারে বদলগাছী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি লুৎফর রহমান বলেন, থানায় মৌখিক ভাবে শুনলাম লেখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাফেকে প্রয়োজন ব্যাবস্তা নিবো।






























