ময়মনসিংহে এসডিজি’র টার্গেট বাস্তবায়নে মতবিনিময়

ময়মনসিংহে এসডিজির টার্গেট কি এবং সে টার্গেট অনুযায়ী আপনার দপ্তরের অর্জন ও অগ্রগতি কতটুকু হয়েছে,তার পরিসংখ্যান তথ্য উপাত্ত পাই চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে হবে।কোনো বেইজ লাইন (ভিত্তি) উপাত্ত ছাড়া শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করলেই ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে না।

অনেক পরিবার জানেই না যে, সরকার দারিদ্র্য বিমোচনসহ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাজেট বরাদ্দসহ অসংখ্য কাজ করছে। ১মাঠ পর্যায় এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

এসডিজির টার্গেট বাস্তবায়নে ফ্রুটফুল (ফলপ্রসূ) কাজ করুন। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিভাগীয় কমিটির ১৯তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি।

সোমবার(১২জানুয়ারি) বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে এবং পরিচালক মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায় এতে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সকল দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।শুরুতে বিভিন্ন দপ্তরের সাথে এসডিজির নির্দিষ্টকৃত ১৭টি অভীষ্ট ও ২৬৯টি টার্গেটের মধ্যে সাদৃশ্যপূর্ণ অভীষ্ট ও টার্গেটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রধান তার কার্যালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি উত্থাপন করেন।

কাউকে পিছনে ফেলে নয়, সবাইকে সমতার কাতারে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি)-২০৩০ প্রণয়ন করা হয়েছে। বিশ্বের এমন কোনো মানুষ নেই যে এসডিজির এসব লক্ষ্যমাত্রার বাইরে।পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সমতার সূতোয় নিয়ে আসা যাতে তারা সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদ হয়।

এতে ব্যক্তি এবং দেশ উভয়ই উপকৃত হবে, জীবনমান বৃদ্ধি পাবে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের মানুষে। এরপর ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজির লক্ষ্য পূরণ বিষয়ে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কর্মকর্তারা।সভাপতির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সকল দপ্তরই এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে, কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন সমাজে দৃশ্যমান নয়।

ফলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি, এসডিজির নেগেটিভিটি বেড়েই চলেছে।আপনারা মাঠ পর্যায়ে কাজের সময় এনআইডি নাম্বারের বিপরীতে সেবা প্রদান করুন। প্রশিক্ষণের পর ফলোআপ উপস্থাপন করুন, প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর জীবনমানের উন্নতি হয়েছে কি না তা জানান।

গতানুগতিক নয়, ভিজ্যুয়ালাইজ (দৃশ্যমান) কাজ করুন। আমাদের কাছে এসডিজির অগ্রাধিকার সর্বোচ্চ। নির্দেশক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী প্রতিটি বিভাগকে নিজ নিজ জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে আমরা একটা দারিদ্র্য ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ দেখতে চাই।