খাগড়াছড়িতে দিপেন দেওয়ানকে পার্বত্য মন্ত্রী পদে পুনর্বহালের দাবীতে মানববন্ধন

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় দিপেন দেওয়ানকে পার্বত্য মন্ত্রী পদে পুনর্বহাল এবং প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী থেকে প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাবেক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে মন্ত্রিত্ব পদে পুনর্বহাল ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালকে অপসারণের দাবীতে জেলাতে মানববন্ধন শেষে প্রধান মন্ত্রী বরারব স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব সামনে জেলার সর্বস্তরের নাগরিক সমাজ আয়োজনে মাবনবন্ধনে দাবি করেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির বিধান অনুযায়ী পার্বত্য জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা ও মন্ত্রণালয়ের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পদের কোনো বিধান নেই। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ থেকে অবিলম্বে প্রত্যাহার ও অপসারণ করতে হবে। ভবিষ্যতে এ মন্ত্রণালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে কোনো ব্যক্তিকে যেন দায়িত্ব দেওয়া না হয়।
এসময় মানববন্ধনে চাইথোয়াই মারমা সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাজার ব্যবসায়ী চৌধুরী বেলাল হোসেন, প্রঙ্গা জ্যোতি চাকমা, নব কুমার চাকমা, অষিমা নন্দ ভিক্ষু, শিক্ষার্থী মং মারমা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে উপস্থাপিত বিষয়াদি মধ্যে হলো-পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ে একজন ক্ষুদ্র-নৃ-গোষ্টি/আদিবাসী/উপজাতীয় ব্যক্তিকে মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়কে সহায়তা করিবার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী উপদেষ্টা কমিটিকে কার্যকর করা।
মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী পদ হতে প্রত্যাহার করা। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়র প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী পদে কাউকে পদায়ন না করা। রোডম্যাপ প্রনয়ন করে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযথ ভাবে বাস্তবায়নের উদ্দ্যোগ গ্রহন করা।
এসময় বিভিন্ন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা অংশ গ্রহন করে।
মানববন্ধন শেষে ৫টি দাবি সম্বলিত পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি যথাযথ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধান মন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারক লিপি প্রদান করা হয়েছে।




























