নেত্রকোনার দুর্গাপুর সীমান্তে চোরাচালান, হত্যা ও হতাহত প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি

চোরাচালান, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং সীমান্তে অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা, হতাহত ও হত্যার ঘটনা প্রতিরোধে নেত্রকোনার দুর্গাপুর সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্তে টহল জোরদারের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা ও হ্যালেজিন লাইট।
জনসচেতনতা তৈরিতেও নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।
নেত্রকোনা (৩১বিজিবি) ব্যাটালিয়ন এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী বলেন, চোরাচালানের উদ্দেশ্যে কেউ অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করলে সীমান্তে অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা, আহত হওয়া কিংবা সীমান্ত হত্যার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঘটনা প্রতিরোধে সীমান্তে টহল জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার(৩অক্টোবর) দুপুরে সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন পয়েন্ট পরিদর্শন ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে দুর্গাপুর সীমান্তে ১২ কোটি ২০ লাখ ৩৪ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ সময় চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ১৮ জনকে আটক করা হয়। জব্দ করা পণ্যের মধ্যে রয়েছে মদ, বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য, পোশাক, কসমেটিকস, ভারতীয় কয়লা, খাদ্যসামগ্রী ও গবাদিপশুসহ বিভিন্ন চোরাচালান পণ্য।
বিজিবি পরিচালক বলেন, বর্ষা মৌসুমে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের প্রবণতা বেড়ে যায়। দুর্গাপুরের বিজয়পুর ও ভবানীপুরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সোমেশ্বরী নদী এ সময় প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ মিটার প্রশস্ত হয়ে যায়। চোরাকারবারিরা বাঁশের মাধ্যমে নদী পার করে কয়লা এবং নৌকায় করে তা পরিবহন করে থাকে।
এ কারণে নদীর দুই পাশে বিজয়পুর ও ভবানীপুর এলাকায় সৌরবিদ্যুৎচালিত সিসিটিভি ক্যামেরা ও হ্যালোজিন লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চোরাচালানের গতিবিধি আগেভাগে শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় জনসচেতনতা বাড়াতেও কাজ করছে বিজিবি। জনসচেতনতামূলক সভা, উঠান বৈঠক ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দাদের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ থেকে বিরত থাকার আহŸান জানানো হচ্ছে।






























