নওগাঁয় ধান ও খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আদালতে মামলা! সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় ধান ও খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগ এবং কৃষক পরিবারের ওপর হামলার ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তারা।
স্থানীয় এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায় গত ১১ ডিসেম্বর মো. আবেদীন (২০) আমলি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, নওগাঁতে এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় হাফিজুর, বেলাল খাঁ, আলম, রফিকুল, কালামসহ মোট ৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে নিয়ামতপুর উপজেলার চক দেউলিয়া গ্রামের একটি খলিয়ানে জমির খড় পালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় ধানের পালা ও খড়ের পালায় আগুন দেওয়া হয়। পাশাপাশি গরুর ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগীর পরিবার। এই ঘটনায় গুরুতর আহত হন বৃদ্ধ কৃষক মো. আলতাফ।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলায় তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে। এছাড়া আশরাফুল ইসলাম ও মো. আবেদীন আহত হন। আহতদের প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে প্রসাদপুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মো. আলতাফের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হয়ে মামলা দায়ের করতে বাধ্য হয়। এব্যাপারে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান ও বেলাল খাঁ, এর বাসায় গিয়ে কাউকে না পাওয়া তাদের বক্তব্য দেওয়া দেওয়া সমভাব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো : শফিকুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি আমরা শুনেছি। আদালত থেকে কোনো নির্দেশ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।”স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পর বিবাদী পক্ষ উল্টো তাদের পরিবারের দুজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়। বর্তমানে মো: আলতাফ হোসেনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম ও আবেদীন কারাগারে রয়েছেন।






























