রাঙ্গামাটির গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পাহাড়ধস, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

টানা ভারী বৃষ্টিতে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি–মারিশ্যা–দিঘীনালা সড়কের ৩ কিলোমিটার এলাকায় রাস্তা ধসে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড় ধস হয়। সড়কে পাহাড়ধসের ঘটনায় যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। সকাল থেকে রাঙ্গামাটি চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সেনাবাহিনী সড়ক বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় মাটি সরিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত জেলার অন্তত ৯৮টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, বাঘাইছড়ির কাচালং নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্লাবিত হয়েছে মাস্টারপাড়া, বটতলী, বাঘাইহাটসহ বিস্তীর্ণ নিচু এলাকা।
এছাড়া গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নে দলমনি চাকমা নামে এক ব্যাক্তি নদী পারাপারের সময় ভেসে যান এবং নিখোঁজ হন। তার মৃতদেহ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) উদ্ধার করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সূত্রে আরও জানা যায়, সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটক এর মধ্যে ১৫০ জন ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ত্যাগ করেছেন। বাকী যারা রয়েছেন তাদের বিষয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জেলার ১২২টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ৩৪ টি আশ্রয়কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৬৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন।
এদিকে কাপ্তাই লেকের পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সচল হয়েছে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সবকটি ইউনিট। বর্তমানে কেন্দ্রের ১ থেকে ৫ নম্বর পর্যন্ত সবকটি ইউনিট থেকে একযোগে রেকর্ড ১৪৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে।































