জমি-জায়গার বিরোধের জের ধরে জমি দখলের চেষ্ঠা, পুকুর ও মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগের অভিযাগ

জমি জায়গার বিরোধের জের ধরে মৎস্য ঘের দখলের চেষ্টা ও মৎস্য ঘেরে ও পুকুরে বিষ প্রয়োগে চার লক্ষাধিক টাকার চিংড়ী পোনা ও মৎস্য ক্ষতি সাধনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (০৪/০৭/২০২৬) সকাল ১০ টায় সাতক্ষীরা সদরের ফিংড়ী ইউনিয়নের গোবরদাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। আদালতে দেওয়ানী মামলা ৫৮৪/২২ চলমান আছে।

মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া স্বত্তেও আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে দির্ঘদিন ধরে জমি জবর দখলের চেষ্টা করে আসছে। গোবরদাড়ী গ্রামের মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী মৃত জবেদ আলী সরদারের পুত্র মোঃ আমির আলী সরদার জানান, গত (০৩ জুলাই) বৃহষ্পতিবার রাতে সাধারণ ডায়েরীর ভিত্তিতে আমাদের পৈত্রিক ভিটা থেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আমাদের পরিবারের চারজন সদস্য নূরালী সরদারের পুত্র মোঃ রবিউল ইসলাম, মোক্তাজুল ইসলাম ও মোঃ রফিকুল ইসলাম এবং আমির আলী সরদারের পুত্র রবিউল ইসলাম রবিকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করে।

তারা জেল হাজতে থাকায় সুযোগ বুঝে আমাদের মৎস্য ঘের ও পুকুরে একই গ্রামের অহেদ আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খোকন, শফি, মোস্তাক সরদারের ছেলে সোহাগ, সাগর ও ˆসকত সহ একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমাদের পত্রিক প্রাপ্ত জমির ঘের ও পুকুর জবর-দখল করতে আসে। এসময় বাধার মুখে তারা পুকুর ও ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে দ্রুত চলে যায়।

এসময় বাগদা চিংড়ী, টেংরা, পুটি সহ দেশীয় মাছ মরে ভেসে উঠে। যাহাতে প্রায় চারলক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়। পরবর্তীতে আমরা সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ করলে সদর এসআই শাহরিয়ারসহ কয়েকজন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয়।

এসময় তারা পুকুর ও ঘেরে মরা মাছের স্থিরচিত্র ধারণ করে এবং উভয় পক্ষের কাছে শোনাবোঝা করে চলে আসে। দির্ঘদিনের জমি জায়গার চলমান বিবাদের নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সামছুর রহমান ও বর্তমান চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান উভয় পক্ষের জমির কাগজ পর্যালোচনা করে সালিশী রায় অনুযায়ী তারা উভয় পক্ষ জমি ভোগ-দখল করে আসছে।

এব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাহসুদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে ভোগদখলীয় সম্পত্তি উভয় পক্ষের কাগজপত্র অনুযায়ী মিমাংসার একটি দিন ধার্য্য করা হয়েছে।