ইয়াবা ব্যবসায় রাতারাতি কোটিপতি? কচ্ছপিয়ায় শহিদুল্লাহর বিলাসবহুল বাড়ি

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পূর্ব তিতারপাড়া গ্রামে শহিদুল্লাহ নামের এক ব্যক্তির বিপুল সম্পদ ও বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, একসময় তিনি রিকশা চালাতেন। বর্তমানে তার বিলাসবহুল বাড়ি ও দৃশ্যমান আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দৃশ্যমান বড় কোনো ব্যবসা বা আয়ের উৎস না থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যে শহিদুল্লাহ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার সম্পদের উৎস কী এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসীর অনেকে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসার পাশাপাশি সীমান্ত চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে শহিদুল্লাহর সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নির্ভরযোগ্য সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে শহিদুল্লাহর বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

কচ্ছপিয়া ও আশপাশের এলাকায় সীমান্তপথে মাদক ও চোরাচালান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান ও মাদক উদ্ধারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। গত ২২ আগস্ট কচ্ছপিয়ার তিতারপাড়া এলাকায় একটি সিএনজির চাকায় কৌশলে লুকিয়ে ১৮ হাজার ইয়াবা পাচারের সময় একজন চালককে আটকের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন, রিকশা চালানোর মতো সীমিত আয়ের পেশা থেকে কীভাবে অল্প সময়ে কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন শহিদুল্লাহ? তার বিপুল সম্পদের প্রকৃত উৎস কী এবং এসব সম্পদ বৈধ আয়ের মাধ্যমে অর্জিত কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ।

স্থানীয়দের আরও দাবি, শহিদুল্লাহর নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, বাড়ি নির্মাণের অর্থের উৎস এবং তার ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড তদন্ত করা হলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। একই সঙ্গে মাদক ও সীমান্ত চোরাচালানের অভিযোগ থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে তা তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে শহিদুল্লাহর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।