নরসিংদীর মরজাল ভুমি অফিসের ফয়েজ আহম্মেদের ঘুষ বানিজ্যের মহা উৎসব

নরসিংদী রায়পুরার মরজাল ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) ফয়েজ আহম্মেদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি ও হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ১২ মে ২০২৫ স্থানীয় একাধিক ব্যাক্তির অভিযোগ থাকলেও পরবর্তীতে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় সাধারন মানুষের প্রতি ক্ষোপ তৈরি হচ্ছে এই ভূমি কর্মকর্তা ফয়েজ আহম্মেদ এর বিরোদ্ধে।
জানা যায় যে এক নারী ভুক্তভগি হয়ে লিখিত অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় দিন দিন ঘুষ বানিজ্যে মহা উৎসবে পরিনতি হয়েছে মরজাল ভূমি অফিসটি, ভূমি কর্মকর্তা ফয়েজ আহম্মেদ এর কাছে জমির নামজারি আবেদন করতে গেলে লাখ লাখ টাকা দাবি করেন। একজনের জমির খাজনার পরিমাণ দুইশ টাকা হলে মো. ফয়েজ আহম্মেদ পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন।
স্থানীয় মরজাল ইউনিয়ন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করে আসছেন। নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলাসহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকার নির্ধারিত অর্থের বাইরেও বাড়তি টাকা নেয়া হয়। তার সঙ্গে চুক্তি ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে না।
চুক্তি অনুযায়ী টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন সেবা পাচ্ছে না সেবা গ্রহীতারা। বাড়তি টাকা আদায়ের বাইরেও গ্রাহকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হয়রানির বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সব জেনেও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে কোন ধরণের কার্যকরি পদক্ষেপ নেই বলেও জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
সেবা নিতে আসা আল আমিন, আবু সাইদ, মো. ফজলুল হকসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, এই অফিসের কর্মকর্তা ফয়েজ আহম্মেদ এর কাছে সেবা নিতে গেলে তার চাহিদামত টাকার বিনিময়ে চুক্তির বাইরে কোন সেবা পাচ্ছে না।
এসব অনিয়ম দেখার কেউ নেই। ফয়েজ আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এই বিষয়ে সংবাদ কর্মীরা মোবাইল ফোনে ফয়েজ আহম্মেদ এর নিকট মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলে আমার বিরোদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন অথচ তিনি অফিসের একাধিক দালালের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কথা এরিয়ে জান।
তার বিরোদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন সৎউত্তর দিতে পারেননি এক পর্যায়ে ফোনটি কেটে দেয়।
আরও জানা যায় যে তার পালিত দালাল জাহিদের হাত দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বানিজ্য করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে যা আগামী ৭ পর্বে তোলে ধরা হবে এই মরজাল ইউনিয়নের ভূমি অফিসের দূনীতির বিষয়ে।
এই দূনীতি অনিয়মের বিষয়ে রায়পুরা উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তাম মুনমুন পাল সংবাদ কর্মীদেরকে জানা এই অভিযোগের বিষয়ে আমি আগে অবগত নয় যেহেতু আপনারা আমাকে অবগত করেছেন আমি তদন্ত করে অনিয়ম হলে তার বিরুদ্ধে আমি ব্যবস্থা নিবো।






























