কবিরাজির আড়ালে জাল টাকা তৈরির অভিযোগ, যশোরে দুইজন আটক

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নে কবিরাজির আড়ালে জাল টাকা তৈরির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টার, একটি কিবোর্ড ও এক হাজার টাকার বেশ কয়েকটি জাল নোট জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কম্পিউটার দোকানের মালিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তবে মামলার এক আসামি পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ডাঙ্গামহিষদীয়া গ্রামের বশির উদ্দিনের ছেলে ও কুলটিয়া ইউনিয়ন ওলামা লীগের সভাপতি এমদাদুল হক এবং যশোর সদর উপজেলার মাহিদীয়া গ্রামের মৃত আলতাফ বিশ্বাসের ছেলে আজিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কালার মোড়ের একটি দুইতলা ভবনে কবিরাজি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কবিরাজির আড়ালে তারা জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল ইসলাম, হযরত আলীসহ কয়েকজন জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে কালার মোড়ে মৃত আনোয়ার গাজীর ছেলে মফিজুর রহমানের কম্পিউটার দোকানে দরজা বন্ধ করে জাল টাকা ছাপানোর সময় আজিবুর রহমানকে হাতেনাতে আটক করেন এলাকাবাসী। এ সময় এমদাদুল হক ও দোকান মালিক মফিজুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পরে শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে এলাকাবাসী ডাঙ্গামহিষদীয়া এলাকা থেকে এমদাদুল হককে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুজনকে থানায় নিয়ে যায়।
মনিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান হাজরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত হিসেবে একটি কম্পিউটার, একটি প্রিন্টার, একটি কিবোর্ড এবং এক হাজার টাকার বেশ কয়েকটি জাল নোট জব্দ করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাঈদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাল টাকা তৈরির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়ায় এমদাদুল হক, আজিবুর রহমান ও কম্পিউটার দোকানের মালিক মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তবে মফিজুর রহমান এখনও পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে জাল টাকা তৈরির সঙ্গে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






























