মানসিক হাসিমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন বাবর

দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত চিকিৎসা বঞ্চিত মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুল হাসিমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা ৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুজ্জামান বাবর। চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিএনপির এ নেতা। মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুল হাসিমের বাড়ি মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নে মনিকা গ্রামে।
শনিবার অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা একটি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য আব্দুল হাসিমকে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, লুৎফুজ্জামান বাবরের রাজনৈতিক প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুল হাসিম, তিনি লুৎফুজ্জামান বাবরকে অনেক ভালবাসেন। তিনি ধানের শীর্ষকে মনে ধারন করতেন, লুৎফুজ্জামান বাবর ১৭ বছর আগে কারাবন্দি হওয়ার খবর শুনেই তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন এবং বাবর বাবর বলে সব সময় ডাক দেন।
ধানের শীর্ষ বলে সব সময় শ্লোগান দেন আব্দুল হাসিম। তার কণ্ঠে বাবর বাবর বলে এবং ধানের শীষ বলে শ্লোগান দেয়ায় এমন একটি সংবাদ বেসরকারি একটি টেলিভিশনে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। বিষয়টি মানবিক লুৎফুজ্জামান বাবরের নজরে আসলে তিনি আব্দুল হাসিমকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেন।
শনিবার দুপুরে হাসিমের বাড়িতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে পাঠান এবং ঢাকা নিয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল হাসিম মানসিক রোগে বিনা চিকিৎসায় ভুগছিলেন।
আব্দুল হাসেমের ভাই আবুল হোসেন বলেন, আমার ভাই বাবর ভাইকে খুবই ভালবাসেন। ধানের শীর্ষকে মনে রাখতেন। বাবর ভাই জেলে যাওয়ার খবর পেয়েই তিনি মানসিক রোগী হয়ে পড়েন। আমরা দরিদ্র মানুষ ভাইকে ভাল চিকিৎসা দিতে পারি নাই। মাধ্যমে মানসিক রোগী এ খবরটা বাবর ভাই পেয়ে আজকে একটি অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছে ভাইকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য। বাবর ভাইয়ের জন্য আমি ও আমার পরিবার চিরকৃজ্ঞ। বলার কোন ভাষা নেই। বাবর ভাই যে কাজটি করছেন।
নেত্রকোনা জেলা যুব ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক গোবিন্দশ্রী গ্রামের বাসিন্দা মোবারক হোসেন জানান, বাবর ভাই আজকে প্রমাণ করেছে আসলেই তিনি একজন ভাটী বাংলার মেহনি মানুষের নেতা, গরীবের নেতা। তিনি খবর পেয়েই যে কাজটি করেছেন বাংলাদেশে এমন নজির আর নেই।
বাবরের রাজনৈতিক প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান বলেন, গতকাল একটি বেসরকারি টেলিভিশনে আব্দুল হাসিমের একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটিতে ছিল তিনি বাবর স্যারকে খুবই ভালবাসেন। এমনকি তিনি জেলে যাওয়ার পরেই মানসিক রোগী হয়ে পড়েন। এ থেকেই তিনি বিনা চিকিৎসায় ভুগছেন।
বিষয়টি স্যারের নজরে এসেছে এবং উনাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন,ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম রোকন, একাবাসী ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।






























