খাগড়াছড়ির রামগড়ে পাতাছড়ার থলিপাড়া এলাকায় ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার রামগড় উপজেলায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ করেছে। জেলার রামগড়ে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তির মো: ওমর ফারুক(৪০), পেশায় একজন চা দোকানদার। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শুক্রবার(২৬শে জুন) দুপুরে উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের থলিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভিকটিম ওই শিক্ষার্থী জুলাই শহিদের এক আত্মীয় এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে।

ভিকটিমের এলাকার স্বজনরা জানান, ঘটনার সময় ভিকটিম তার নানির বাড়িতে একাই ছিল এবং রান্নাঘরের কাজ করছিল। জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিবেশি মো; ওমর ফারুক রান্নাঘরে ঢুকে তাকে কুপ্রস্তাব দেয়।

ভিকটিম প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে মো: ওমর ফারুক তাকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এবং একপর্যায়ে তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। ভিকটিমের চিৎকারে অভিযুক্ত মো: ওমর ফারুক দ্রæুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ওই সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাইরে ছিলেন। শুক্রবার রাতে ভিকটিমের মামা বাদী হয়ে রামগড় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে রামগড় থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো: নাজির আলম শনিবার বিকেল ৪টায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘শুক্রবার রাত ১২টার দিকে ভিকটিমের মামা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বর্তমানে মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত আছে।’

সি আরও জানান, শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটলেও অভিযুক্ত ওমর ফারুকের পক্ষ থেকে ভিকটিমের পরিবারকে ঘটনার মীমাংসার জন্য সারা দিন চাপ দেওয়া হয়। বিভিন্ন দেন-দরবার চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর ভিকটিমের স্বজনরা গভীর রাতে থানায় অভিযোগ নিয়ে আসেন। ততক্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দেয়।​

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ওমর ফারুকের মেয়ে এবং ভিকটিম একই শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভিকটিমের পরিবারসহ স্থানীয় সচেতন মহল। এখনোা পর্যন্ত আসামীকে আটকের কোন খবর পাওয়া যায়নি।