নেত্রকোনার মদনে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ১৩ দিন পরেও মামলা নিচ্ছে না পুলিশ

নেত্রকোনার মদনে স্কুল ছাত্রী অপহরণের ১৩ দিনেও মামলা নিচ্ছে না মদন থানার পুলিশ। বিষয়টি নিয়ে মেয়ের পরিবারটি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।
মেয়েটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মাধ্যমিক স্কুলের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গত ৫ ডিসেম্বর প্রাইভেট পড়তে ঘর থেকে বের হলে আর বাড়ি আসেনি। প্রাইভেট সেন্টারে গিয়েও দেখে মিলেনি মেয়েটির পরে বিষয়টি সন্দেহ হলে একই গ্রামের সুলতু মিয়ার ছেলে বায়তুল হাসানের খোঁজ নিতে মেয়েটির পরিবার তাদের বাড়িতে গেলে তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়। এমন কি অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে।
এদিকে বায়তুলের মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়। বায়তুলের সাথে কোন যোগাযোগ না করতে পেরে মেয়েটির পরিবার গত ৫ ডিসেম্বর বায়তুলসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি অক্রিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তারা উল্লেখ করেন, বায়তুলসহ অন্যরা নাবালিকা মেয়েটিকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে। তারা আরও উল্লেখ করেন, বায়তুল হাসান তার মেয়েকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করতে পারে।
ঘটনার ১৩দিন অতিবাহীত হলেও মদন থানা পুলিশ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন আমলে নিচ্ছে না। এ নিয়ে পরিবারটি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক জানান, এর আগেও গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার পথে রায়তুল হাসান মেয়েটিকে ইভটিজিং করেছিল। পরে মেয়েটি আমার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। এরই প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি বৈঠকে বসে দুই পক্ষের উপস্থিতিতে বায়তুল হাসান এমন কাজ আর করব না মর্মে মুছলেখা দেয়।
মেয়েটির বাবা জানান, আমার নাবালিকা মেয়েটি ১৩ দিন হয়েছে বায়তুল হাসান অপহরণ করেছে। আমি অপহরণের দিনেই মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়ে ছিলাম। তারা এখন পর্যন্ত ও কোন মামলা নেয়নি। আমি এখন কোথায় যাব ভেবে পাচ্ছি না। গত কয়েক মাস আগেও ওই ছেলেটি আমার মেয়েকে স্কুলে আসা যাওয়ার পথে ইভটিজিং করত। এ নিয়ে স্কুলে বৈঠকও হয়েছে। বায়তুল হাসান কে গ্রেফতার করলেই সব কিছু বের হয়ে আসবে। আমি তার দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করছি।
মদন থানার ওসি হাসনাত জামান জানান, এর আগেও মেয়েটি তিনবার গিয়েছিল মূলত প্রেম সংক্রান্ত ঘটনা। আমি ৮ তারিখ যোগদান করেছি। তারা ৫ তারিখে অভিযোগটি দায়ের করেছে। বিষয়টি আমি দেখতেছি।






























