রংপুরের পীরগঞ্জে ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় উত্তেজনা, ইউএনও’র গাড়ি ভাংচুর

ভোটের ৪দিন পর রংপুর-২৪, পীরগঞ্জ-৬ আসনের হাসার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে গণভোটের হ্যা ও ধানের শীষে সীল মারা ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় পীরগঞ্জের সর্বত্রে বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুন ঘটনাস্থলে গেলে বিএনপির উত্তেজিত সমর্থকরা তাঁকে অবরুদ্ধ করে এবং গাড়ি ভাংচুর করে। পরে পুলিশের সহায়তায় নির্বাহী কর্মকর্তাকে উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, সরকারী বন্ধের পর আজ (১৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে হাসার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় খুললে ৩য় শ্রণীর এক ছাত্র ব্রেঞ্চের নিচ থেকে ধানের শীষ মার্কায় সীল মারা ও গণভোটের হ্যাঁতে সীল মারা ব্যালট পেপার পেয়ে প্রধান শিক্ষককে প্রদান করে।
কেন্দ্রটি বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলামের নিজ এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফলে সহস্রাধিক নারী পুরুষ খবর পেয়ে ওই স্কুলে উপস্থিত হতে থাকে।
এদিকে বিকালে সংবাদ পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পপি খাতুন হাসার পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়া মাত্রই বিক্ষুব্ধ লোকজন তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখে এবং গাড়ি ভাংচুর করে। পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
এদিকে নির্বাচনের পরদিন থেকেই ভোট কারচুপির অভিযোগে বিএনপি প্রার্থী সাইফুল ইসলামসহ নেতাকর্মীরা পূনরায় ভোট গণনার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। একই দাবিতে রোববার তাঁরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন।
বিএনপি দলীয় সূত্র জানায়, ভোট কেন্দ্রগুলোতে একটি বিশেষ দলের স্লিপ নিয়ে আসা ভোটারদের চারকোনা সিল দেয়া হয়, আর যারা সেই স্লিপ নিয়ে আসেননি তাদেরকে দেয়া হয় গোল সিল।
প্রায় ৫ সহস্রাধীক ধানের শীষ মার্কায় গোল সীল মারা ব্যালট বাতিল করা হয়। ৪০টি ভোট কেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটেছে। এটা পরিকল্পিত। তাই পুনরায় ভোট গণনা করা হলে ভোট কক্ষে গোল সিল সরবরাহ করার রহস্য উন্মোচন হবে বলে দাবি বিএনপি নেতাকর্মীর।






























