পিরোজপুরে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ইউপি সদস্যের ১ বছর ৬ মাসের সাজা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার টিকিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন হেলাল মৃধাকে ১ বছর ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে আদালত।
তার বিরুদ্ধে দি পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪২০ ধারার অভিযোগ অভিযোগকারীপক্ষ পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমান দ্বারা সন্দেহাতীতভাবে প্রমান করতে সক্ষম হওয়ায় তাকে এ দন্ড দেওয়া হয়।
পাবনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেবী নাজনীন ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর এ রায় প্রদান করেন।এরপর এ বছরের ১৭ মার্চ সাজা প্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন হেলাল মৃধা বিজ্ঞ কৌসুলির মাধ্যমে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের প্রার্থনা করেন।
রায় প্রকাশের সময় পলাতক থাকায় সার্বিক দিক বিবেচনায় জামিন নামঞ্জুর করে আসামীকে সাজা পরোয়ানা মূলে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার ধোপাদহ গ্রামের আঃ হামিদ মোল্লার ছেলে মোঃ রতন আহমেদ বাদী হয়ে ২০২২ সালে বিজ্ঞ আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদী, কতিপয় সাক্ষী ও আসামী যৌথভাবে ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা করার জন্য সমপরিমাণ অর্থ প্রদান করে ব্যবসা পরিচালনা করতে থাকে।
একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে বাদী, আসামী এবং ১ ও ২ নং সাক্ষী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের মাধ্যমে হিসাব অন্তে উক্ত ব্যবসায়ের নগদ অর্থ আসামীর নিকট গচ্ছিত রাখে।হিসাব অন্তে ১ নং সাক্ষী মিলন ৪ লাখ টাকা,২ নং সাক্ষী মনিরুল ৪ লাখ টাকা এবং মামলার বাদী রতন আহমেদ ১১ লাখ টাকা সর্বমোট ২৩ লাখ টাকা আসামীর নিকট গচ্ছিত রেখে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখিত পড়িত হয়।কিন্তু আসামী এই টাকা পরবর্তীতে আদৌ ফেরত না দিয়ে অস্বীকার করে।
এ ব্যাপারে ইউপি সদস্য নাসির উদ্দিন হেলাল মৃধা জানান,বর্তমানে আমি ওই মামলায় জামিনে রয়েছি।মামলাটি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পাবনা থেকে উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে।






























