ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বাবাসহ ৩ ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম, দেশীয়অস্ত্র উদ্ধার

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাবাসহ তিন ভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ভোক্তভোগীরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের পর এক গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রবিবার বিকালে অভিযুক্ত প্রধান আসামির একটি দোকানঘর থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয়অস্ত্র উদ্ধার করেছে ঈশ্বরগঞ্জ থানার এসআই ফিরোজ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল। তার আগে গত ২৪ মার্চ বিকালে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের হারুয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে গত ২৬ মার্চ আহতদের মধ্যে মো.জাহাঙ্গীর আলম(২৮) বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দেন। এ ঘটনায় আহতরা হলেন- মো. আবুল কাশেম ফকির(৫৫), তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম(২৮), জাকির(২২),শাকিল (২০)।
আসামিরা হলেন- উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের কুমড়াশসন গ্রামের মৃত গফুর ভূঞার ছেলে মো. বকুল ভূঞা(৪৫)। একই গ্রামের মো. তফাজ্জল(৩৫),আশিক(২৩),মো. কাউসার(২২),মামুন(২৯),হুমায়ূন ফকির(৩৬),সেলিম ফকির(৩২),তৈয়ব আলী ফকির(৪৭)।
ভোক্তভোগী পরিবার জানায়,ঘটনারদিন বিকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দেশীয়অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জাহাঙ্গীর আলমের দুই ভাই ও তার বাবার ওপর হামলায় চালায়। এ সময় তাদেরকে ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও লোহার রড দিয়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে। পরে স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের বাবা আবুল কাশেম ফকির ও ছোট ভাই জাকিরকে ময়মনসিংহ হাসপাতালে রেফার করে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ভোক্তভোগী পরিবারের জাহাঙ্গীর আলম বলেন,পূর্ব বিরোধের জের ধরে বকুল ভূঞা গংরা আমাদের ওপর দেশীয়অস্ত্রে হামলা চালায়। এতে বাবা ও আমরা তিন ভাইকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে। প্রতিপক্ষরা খুব উগ্র ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক। গতকাল তাদের ঘর থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ প্রসঙ্গে জানতে প্রতিপক্ষের বকুলbভূঞার ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি রবিউল আজম বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






























