জ্বালানি বিতরণে রাঙ্গামাটিতে চালু ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড নিবন্ধন

রাঙামাটিতে জ্বালানি তেল সংগ্রহে ভোগান্তি ও শৃঙ্খলা আনতে চালু হয়েছে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড। তবে রেজিস্ট্রেশন আরও সহজ করার দাবি ভোক্তাদের। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল থেকে শহরের চারটি ফিলিং স্টেশনের সামনে কিউ আর কোড যুক্ত ব্যানার টাঙিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। এই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করছে পুলিশ।
আবার রেজিস্ট্রেশন করেও সময়মতো তেল না পাওয়ায় হতাশ অনেকে। তবে সমস্যার বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার কথা জানান ট্যাগ অফিসার অরুণ চন্দ্র রায়।
পুলিশ সূত্র থেকে জানা যায়, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও জেলা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এবং ফুয়েল পাম্প মালিকদের সক্রিয় সহযোগিতায় এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি বাস্তবায়িত হয়েছে। অপচয় রোধ, অপ্রয়োজনীয় ভিড় এড়ানো এবং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সহজ করতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
নিবন্ধিত গ্রাহকরা পাম্পগুলোতে কিউআর কোড স্ক্যান করলে গ্রাহকের পূর্ববর্তী লেনদেনের পরিমাণ ও সময়সহ সব তথ্য জানা যাবে। এতে ডিজিটাল রেকর্ড থাকায় বাড়তি জ্বালানি সংগ্রহে মানুষ পাম্পে জড়ো হবে না।
ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড পেতে ব্যবহারকারীরা www.fueltrackbd.com
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নাম, মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে কিউআর কোডসহ একটি ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে, যা মোবাইলে সংরক্ষণ বা প্রিন্ট করে ব্যবহার করা যাবে।
ফুয়েল পাম্পে জ্বালানি নেওয়ার সময় কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে গ্রাহকের পূর্ববর্তী লেনদেনের তথ্য যাচাই করা যাবে এবং প্রতিটি নতুন লেনদেন তাৎক্ষণিকভাবে ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত হবে।
তবে কিউআর কোড স্ক্যানে আগ্রহ কম সাধারণ মানুষের। এই বিষয়ে তারা জানান, ইংরেজি লেখা, লেখাগুলো ছোট থাকায় দেখার অসুবিধা হচ্ছে। অনেকেই লাইসেন্স না থাকায় রেজিস্টেশন করতে পারছেন না।
ফিলিং স্টেশনের ট্যাগ অফিসার কৃষি বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক অরুণ চন্দ্র রায় বলেন, কিছু সমস্যার কথা শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবো। তবে এই ফুয়েল কার্ড চালু হলে পাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরবে। মানুষের ভোগান্তি কমে আসবে।





























