রাঙ্গামাটিতে টানা বৃষ্টিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, জনজীবন বিপর্যস্ত

রাঙ্গামাটিতে ভারী বর্ষণ অব্যাহত রয়েছে। প্রবল বর্ষণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। অবিরাম বৃষ্টিতে পাহাড়ধসের আশঙ্কা আরও বেড়ে যাওয়ায় জেলা প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার ৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৩০২ জন, কাউখালী উপজেলা ১৬০ জন, কাপ্তাই উপজেলায় ১০৩ জন, বাঘাইছড়ি উপজেলার ৭টি আশ্রয়কেন্দ্রে ২৩৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন এবং এখনও পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মোট ২১০টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত রাঙ্গামাটি জেলায় ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৮০৪ জন মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।
পাহাড়ধসের কারণে রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে আধা ঘন্টা যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ ছিল।অবিরাম বর্ষণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঘাইছড়ি উপজেলার বঙ্গলতলী ইউনিয়নের করেঙ্গাতলী এবং পৌর এলাকার উগলছড়ি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের উগলছড়ি, বেপারীপাড়া, নিউ লাইল্যা ঘোনা এবং পৌরসভার বটতলী, মাদ্রাসাপাড়া ও হাজীপাড়ার কিছু অংশ প্লাবিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সাজেকে ভ্রমণে যাওয়া পাঁচ শতাধিক পর্যটক বর্তমানে সেখানে আটকা পড়েছেন। খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের মাচালং, বাগাইহাটসহ একাধিক স্থানে বন্যার পানিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফলে পর্যটকরা নির্ধারিত সময়ে ফিরতে পারেননি।
কটেজ অ্যান্ড রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব সাজেকের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, সড়কের পানি নেমে গেলে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেয়া হবে।






























