পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

“বিভেদপন্থী ও জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থী সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করুন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হোন” স্লোগানে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির ৫৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে আশিকা কনভেনশন হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাঙ্গামাটি জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ গঙ্গা মানিক চাকমার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার।
ঊষাতন তালুকদার বলেন, আমাদের আর বাধ্য করবেন না আমরা চাই না পাহাড়ে আর রক্ত ঝড়ুক। আমরা বিলুপ্ত হতে চাই না। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য সম্মিলিতভাবে জুম্ম জাতীয়তাবাদ ধারণ করতে হবে। জাতিগত সম্প্রদায়গত, নির্যাতন-নিপীড়ন অবসান তথা বৈষম্য ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির জন্ম। সংগঠনের শৃঙ্খলা বজায় রেখে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান দলের প্রতি।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা বলেন, পার্বত্য জনগোষ্ঠীকে একতাবদ্ধ করেছে এই সমিতি। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি অনেক জনমানুষের আকাংক্ষা পূরণ করেছে আবার কিছু ক্ষেত্রে তারা ব্যর্থও হয়েছে। আমরা এই সংগঠনটি আর বিভাজিত হোক চাই না।অধিকার মুক্তির প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারলে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলন সহজ হবে। এই আন্দোলনের শক্তি আরো বাড়াতে হবে।
এসময় বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক অরুন ত্রিপুরা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা, এম এন লারমা মেমোরিয়্যাল ফাউন্ডশেনর সভাপতি বিজয় চাকমা, শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা, সিএইচটি হেডম্যান নেটওয়ার্কের সাধারন সম্পাদক শান্তি বিজয় চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা সমিতির সাধারন সম্পাদক আশিকা চাকমা, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রচার সম্পাদক অন্বেষ চাকমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অরুন ত্রিপুরা।






























